শেরবার্তা২৪

নকলা উপজেলা বিএনপিতে ত্যাগী নেতা হিসেবে আলোচনায় জহির রায়হান মুক্তি



নকলা উপজেলা বিএনপিতে ত্যাগী নেতা হিসেবে আলোচনায় জহির রায়হান মুক্তি

শেরপুরের নকলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন জহির রায়হান মুক্তি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার কারণে তাকে এ পদে দেখতে চান তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি অংশ।

জহির রায়হান মুক্তি নকলা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

 ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

তার সমর্থক নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে উপজেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তাঁকে দেখতে চান তাঁরা। তাদের প্রত্যাশা, নতুন কমিটি গঠন বা কাউন্সিলের সময় ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।

  

সমর্থকদের মতে, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলে জহির রায়হান মুক্তি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং দলীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

এদিকে নকলা উপজেলা বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে দলীয় অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

 তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলের প্রতি অবদান ও ত্যাগ বিবেচনায় নেবে দলীয় নেতৃত্ব।

আপনার মতামত লিখুন

শেরবার্তা২৪

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


নকলা উপজেলা বিএনপিতে ত্যাগী নেতা হিসেবে আলোচনায় জহির রায়হান মুক্তি

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

শেরপুরের নকলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন জহির রায়হান মুক্তি।


দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকার কারণে তাকে এ পদে দেখতে চান তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি অংশ।


জহির রায়হান মুক্তি নকলা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।


 ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।


দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।


তার সমর্থক নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে উপজেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তাঁকে দেখতে চান তাঁরা। তাদের প্রত্যাশা, নতুন কমিটি গঠন বা কাউন্সিলের সময় ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।


  

সমর্থকদের মতে, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলে জহির রায়হান মুক্তি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং দলীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।


এদিকে নকলা উপজেলা বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে দলীয় অঙ্গনে আলোচনা চলছে।


 তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলের প্রতি অবদান ও ত্যাগ বিবেচনায় নেবে দলীয় নেতৃত্ব।


শেরবার্তা২৪

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ শেরবার্তা২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত