শেরবার্তা২৪

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় খাদ্য মোড়কে এফওপিএল বাধ্যতামূলক করার দাবি



জনস্বাস্থ্য রক্ষায় খাদ্য মোড়কে এফওপিএল বাধ্যতামূলক করার দাবি

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল) বাধ্যতামূলক করে খসড়া প্রবিধানমালা দ্রুত চূড়ান্ত করার দাবি জানিয়েছে সবুজবাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আব্দুল আলীম বলেন, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত প্যাকেটজাত খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এসব পণ্যের মোড়কে উপাদানগুলোর পরিমাণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সহজবোধ্য সতর্কবার্তা থাকলে ভোক্তাদের সচেতনতা বাড়বে এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ কমবে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী এফওপিএল অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ কমানোর একটি কার্যকর ও প্রমাণভিত্তিক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত। তাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ-সংক্রান্ত প্রবিধানমালা দ্রুত চূড়ান্ত করা প্রয়োজন।

এ দাবির অংশ হিসেবে গত ২১ জানুয়ারি সবুজবাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থাসহ সমমনা সংগঠন দরিদ্র সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সুনীতি সংঘ ও যায়তুন চ্যারিটি বিডির নির্বাহী প্রধান এবং জনপ্রতিনিধিদের একটি দল শেরপুর জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করে। এ সময় খসড়া প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে একটি অনুরোধপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরের চেয়ারম্যান বরাবর হস্তান্তর করা হয়।

এ ছাড়া গত ১৭ অক্টোবর প্রতিনিধি দল শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে মতবিনিময় করে। পরে খসড়া প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার বিষয়ে খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সবুজবাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা।

আপনার মতামত লিখুন

শেরবার্তা২৪

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


জনস্বাস্থ্য রক্ষায় খাদ্য মোড়কে এফওপিএল বাধ্যতামূলক করার দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল) বাধ্যতামূলক করে খসড়া প্রবিধানমালা দ্রুত চূড়ান্ত করার দাবি জানিয়েছে সবুজবাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা।


সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আব্দুল আলীম বলেন, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত প্যাকেটজাত খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এসব পণ্যের মোড়কে উপাদানগুলোর পরিমাণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সহজবোধ্য সতর্কবার্তা থাকলে ভোক্তাদের সচেতনতা বাড়বে এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ কমবে।


তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী এফওপিএল অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ কমানোর একটি কার্যকর ও প্রমাণভিত্তিক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত। তাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ-সংক্রান্ত প্রবিধানমালা দ্রুত চূড়ান্ত করা প্রয়োজন।


এ দাবির অংশ হিসেবে গত ২১ জানুয়ারি সবুজবাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থাসহ সমমনা সংগঠন দরিদ্র সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সুনীতি সংঘ ও যায়তুন চ্যারিটি বিডির নির্বাহী প্রধান এবং জনপ্রতিনিধিদের একটি দল শেরপুর জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করে। এ সময় খসড়া প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে একটি অনুরোধপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরের চেয়ারম্যান বরাবর হস্তান্তর করা হয়।


এ ছাড়া গত ১৭ অক্টোবর প্রতিনিধি দল শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে মতবিনিময় করে। পরে খসড়া প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার বিষয়ে খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।


এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সবুজবাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা।


শেরবার্তা২৪

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ শেরবার্তা২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত