শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশন (বিকেডিএ) আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তির অর্থ বিতরণ নিয়ে বিভ্রান্তির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে নবজাগরণ একাডেমি।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে উপজেলার নন্নী বাজারে একাডেমির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান মিজানুর রহমান।
তিনি বলেন, বিকেডিএ থেকে নবজাগরণ একাডেমির জন্য মোট ১০ হাজার টাকা বৃত্তির অর্থ দেওয়া হয়। ওই পরীক্ষায় সাধারণ গ্রেডে ৩০ জন এবং ট্যালেন্টপুলে ১২ জনসহ মোট ৪২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়।
মিজানুর রহমান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ গ্রেডে উত্তীর্ণদের ২০০ টাকা এবং ট্যালেন্টপুলে উত্তীর্ণদের ৫০০ টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ৪২ জন শিক্ষার্থীর জন্য বিকেডিএ থেকে মোট ১০ হাজার টাকা পাওয়ায় তা সমন্বয় করে বিতরণ করা হয়েছে। এ কারণে ট্যালেন্টপুলে উত্তীর্ণ ১২ শিক্ষার্থীকে ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে এ বিষয়ে যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
বিকেডিএর ময়মনসিংহের আঞ্চলিক পরিচালক আলম পাশা বলেন, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তদের ৫০০ টাকা করে দেওয়ার কথা থাকলেও নবজাগরণ একাডেমিকে সর্বমোট ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ৪২ জন হওয়ায় অর্থ সমন্বয় করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন নালিতাবাড়ী শাখার সভাপতি মুনীরুজ্জামান বলেন, এখানে আর্থিক অনিয়ম হয়নি। মূলত বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অর্থ সমন্বয় করতে গিয়ে প্রত্যেককে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ঘাটতি পূরণ করে ট্যালেন্টপুলে উত্তীর্ণদের ৫০০ টাকা করে দেওয়া উচিত ছিল।
আপনার মতামত লিখুন