শেরবার্তা২৪

শ্রেণিকক্ষে নয়, অফিসকক্ষে শিক্ষার্থীদের হাজিরা নেওয়ার অভিযোগ



শ্রেণিকক্ষে নয়, অফিসকক্ষে শিক্ষার্থীদের হাজিরা নেওয়ার অভিযোগ

শেরপুরের নকলা উপজেলার ৬৫ নং ছাতুগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সরাসরি যাচাই না করে অফিসকক্ষে বসেই হাজিরা খাতায় উপস্থিতি পূরণ করার চিত্র দেখা গেছে।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে বিদ্যালয়টিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় তাদের উপস্থিত দেখানো হয়েছে। এ সময় বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষিকা অফিসকক্ষে বসে হাজিরা খাতা পূরণ করছিলেন।

সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পাওয়ার পরপরই শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি যাচাইয়ের তৎপরতা শুরু করতে দেখা যায়। এতে হাজিরা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সেলিনা বেগম বলেন, “কোন শ্রেণিতে কতজন শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে, তা আমাদের জানা থাকে। তাই অফিসে বসেই হাজিরা দেওয়া হয়েছে।”

তবে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকেরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সরাসরি যাচাই না করে হাজিরা খাতা পূরণ করা হলে প্রকৃত উপস্থিতির তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সঠিক চিত্রও প্রতিফলিত হয় না।

এ বিষয়ে নকলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

শেরবার্তা২৪

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


শ্রেণিকক্ষে নয়, অফিসকক্ষে শিক্ষার্থীদের হাজিরা নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

শেরপুরের নকলা উপজেলার ৬৫ নং ছাতুগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সরাসরি যাচাই না করে অফিসকক্ষে বসেই হাজিরা খাতায় উপস্থিতি পূরণ করার চিত্র দেখা গেছে।


বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে বিদ্যালয়টিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় তাদের উপস্থিত দেখানো হয়েছে। এ সময় বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষিকা অফিসকক্ষে বসে হাজিরা খাতা পূরণ করছিলেন।


সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পাওয়ার পরপরই শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি যাচাইয়ের তৎপরতা শুরু করতে দেখা যায়। এতে হাজিরা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সেলিনা বেগম বলেন, “কোন শ্রেণিতে কতজন শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে, তা আমাদের জানা থাকে। তাই অফিসে বসেই হাজিরা দেওয়া হয়েছে।”


তবে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকেরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সরাসরি যাচাই না করে হাজিরা খাতা পূরণ করা হলে প্রকৃত উপস্থিতির তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সঠিক চিত্রও প্রতিফলিত হয় না।


এ বিষয়ে নকলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।


শেরবার্তা২৪

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ শেরবার্তা২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত