শেরবার্তা২৪

নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ বন বিভাগের বিরুদ্ধে

গারো পাহাড়ে প্রকাশ্যে বেদখল হচ্ছে বনভূমি



গারো পাহাড়ে প্রকাশ্যে বেদখল হচ্ছে বনভূমি

 শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের বড় রাংটিয়া এলাকায় সরকারি বনভূমি বেদখল হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গতকাল (৩ জুন বুধবার) ও বিভিন্ন সময়ে বন বিভাগের জমিতে অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি নির্মাণের ঘটনা ঘটেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল বন বিভাগের জমি দখল করে বসতঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছে। এ কারণে দিন দিন কমে যাচ্ছে সরকারি বনভূমি, যা প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে এবং শেরপুরের সীমান্তবর্তী পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাংটিয়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ অফিসার মো. আব্দুল করিমের জ্ঞাতসারেও এসব কর্মকাণ্ড চলতে থাকে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বন উজাড় করে বালু-পাথর উত্তোলনের পর কাঁচাপাকা স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ, রেঞ্জ কর্মকর্তার কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় দখলদাররা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম রাতে সাংবাদিককে জানান, গতকাল তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে ঘর নির্মাণকারীরা আগামীকালের মধ্যে স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তাই বন বিভাগ তাদের কিছু সময় দিয়েছে।
তবে প্রকৃতিপ্রেমী ও পরিবেশবাদীরা দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সরকারি বনভূমি দখল ও স্থাপনা নির্মাণ কেবল সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে বিপন্ন হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

শেরবার্তা২৪

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


গারো পাহাড়ে প্রকাশ্যে বেদখল হচ্ছে বনভূমি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

 শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের বড় রাংটিয়া এলাকায় সরকারি বনভূমি বেদখল হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গতকাল (৩ জুন বুধবার) ও বিভিন্ন সময়ে বন বিভাগের জমিতে অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি নির্মাণের ঘটনা ঘটেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল বন বিভাগের জমি দখল করে বসতঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছে। এ কারণে দিন দিন কমে যাচ্ছে সরকারি বনভূমি, যা প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে এবং শেরপুরের সীমান্তবর্তী পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাংটিয়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ অফিসার মো. আব্দুল করিমের জ্ঞাতসারেও এসব কর্মকাণ্ড চলতে থাকে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বন উজাড় করে বালু-পাথর উত্তোলনের পর কাঁচাপাকা স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ, রেঞ্জ কর্মকর্তার কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় দখলদাররা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম রাতে সাংবাদিককে জানান, গতকাল তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে ঘর নির্মাণকারীরা আগামীকালের মধ্যে স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তাই বন বিভাগ তাদের কিছু সময় দিয়েছে।
তবে প্রকৃতিপ্রেমী ও পরিবেশবাদীরা দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সরকারি বনভূমি দখল ও স্থাপনা নির্মাণ কেবল সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে বিপন্ন হচ্ছে।


শেরবার্তা২৪

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ শেরবার্তা২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত